শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
স্লিম থাকতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণ উৎসব বরিশাল বিভাগের প্রধান নদ-নদী বিপদ সীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।  বরগুনায় বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার আগামী পাঁচ বছরের ২৫ কোটি গাছ সারাদেশে রোপন করব-প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে, ঢাকা বরিশাল মহাসড়কের দুই পাশে -অসংখ্য নেতাকর্মী ১২ জেলায় চলমান বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা বরিশালে সাত শিয়াল পিটিয়ে হত্যায় মামলা করেছে বন বিভাগ লুডো খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতুড়িপেটায় যুবক নিহত প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে বরিশালে ব্যাপক প্রস্তুতি -বিএনপি নেতা কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা

স্লিম থাকতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

নিজস্ব প্রতিবেদন: / ২২ সময় দৃশ্য
আপডেট : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

সুস্থ ও স্লিম শরীর ধরে রাখতে শুধু নিয়মিত ব্যায়াম করলেই হবে না, প্রয়োজন সঠিক ও সুষম খাদ্যাভ্যাসও। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাবারে কিছু সহজ পরিবর্তন আনলে ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, দিনের শুরু হওয়া উচিত পুষ্টিকর সকালের নাশতা দিয়ে। নাশতায় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, শাকসবজি ও ফল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। দুধ ও ডিমের মতো খাবার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েইট কন্ট্রোল রেজিস্ট্রি-এর তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম ব্যক্তিদের অধিকাংশই নিয়মিত স্বাস্থ্যকর সকালের নাশতা গ্রহণ করেন।

দুপুরের খাবারে ভাত, ডাল, মাছ বা মাংসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত শাকসবজি রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্লেটের অন্তত অর্ধেক অংশ শাকসবজিতে পূর্ণ রাখলে ক্যালরি গ্রহণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। বিকেলের নাস্তায় তেলেভাজা বা অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবারের পরিবর্তে আপেল, পেয়ারা কিংবা অন্যান্য দেশীয় ফল খাওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে আঁশসমৃদ্ধ খাবারের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে। ফলমূল, শাকসবজি, ঢেঁকিছাঁটা লাল চাল এবং হোল গ্রেইন আটার তৈরি খাবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে।

এ ছাড়া আইসক্রিম, চকলেট, চিপস ও তেলেভাজা খাবারের মতো উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার ঘরে মজুত না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এসব খাবার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ না হলেও পরিমিত পরিমাণে এবং মাঝে মধ্যে খাওয়াই উত্তম।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে ওজন, কোমর ও পেটের মাপ নিলে নিজের শারীরিক পরিবর্তন সহজে পর্যবেক্ষণ করা যায়। প্রয়োজনে সেই অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনলে ওজন নিয়ন্ত্রণ আরও কার্যকর হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কঠোর ডায়েটের পরিবর্তে নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই দীর্ঘমেয়াদে স্লিম ও সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com