বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
জালিয়াতির মাধ্যমে বিএনপি নেতার নিজ নামে জমি রেকর্ড করার অভিযোগে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন ॥ দুর্গাসাগর কোনো বাণিজ্যিক অবকাঠামো নয়: ইজারার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি বরিশালের হাঁসের ধান খাওয়া কে কেন্দ্র করে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল দাদ বর্তমানে তথ্য ফিল্টারিং করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে’-তথ্যমন্ত্র দুর্নীতির দায়ে বরিশালের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা চাকুরিচ্যুত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পচন ধরা লাশ উদ্ধার মানবাধিকার কর্মী জেড আই খান পান্নার কন্যার ওপর হামলায়, মামলা দায়ের-১ জন গ্রেফতার সদরঘাটে লঞ্চ-ট্রলার সংঘর্ষে নিখোঁজ ২, উদ্ধারে ডুবুরি দল গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে-শফিকুর রহমান স্লিম থাকতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

দুর্নীতির দায়ে বরিশালের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা চাকুরিচ্যুত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল / ১৬ সময় দৃশ্য
আপডেট : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

গুরুতর অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রাক্তন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করেছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, বরিশাল।

বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে রুজুকৃত বিভাগীয় মামলার তদন্তে দেখা যায়, অভিযুক্ত হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নং খতিয়ানের সরকারি খাস জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থে জলাঞ্জলি দিয়েছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি সৃষ্টি না হওয়া সত্ত্বেও অভিযুক্ত ওই পদবি ব্যবহার করে প্রায় ২৫৮ দশমিক ২৬ একর সরকারি জমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দিয়েছেন। এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ২২২ একর খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় সৃষ্টি করে অবমুক্ত করার অভিযোগও প্রমাণিত হয়। রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ও দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগও ধরা পড়ে তদন্তে।

তদন্তে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উঠে আসে, অভিযুক্তের অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় অবমুক্ত করে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে, যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ মনে করে, এ ধরনের কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা সমীচীন নয়। এ প্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪(৩)(ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বেহাতকৃত সরকারি সম্পত্তি জরুরি ভিত্তিতে সরকারের আয়ত্তে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com